Enter your keyword

বিশ্বের প্রতি প্রন্তরে বাংলার মুখ

Thursday, October 13, 2016

ভয়ানক পরিণতির দিকে এগুচ্ছে বিশ্ব

By On 10:02:00 PM
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার উত্তাপ তো বলতে গেলে আমাদের গায়েই লাগতে শুরু করেছে।তবে তার চেয়েও ভয়ানক ব্যাপার হচ্ছে সিরিয়া ইস্যু নিয়ে আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতবিরোধ।আন্তর্জাতিক সমর বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, সিরিয়া ইস্যুতে ভয়ানক পরিণতির দিকে এগুচ্ছে বিশ্ব। রাশিয়া এবং মার্কিন সম্পর্ক এখন তিক্ততার চরম পর্যায়ে রয়েছে।ফ্রান্সের সাথেও রাশিয়ার সম্পর্ক শীতল হয়ে পড়ছে। আর সে কারণেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি তার ফ্রান্স সফর আকস্মিকভাবে স্থগিত করেছেন।অন্যদিকে চীন, রাশিয়া এবং তুরস্ক জোটে ঘনিষ্ঠতা গভীর হচ্ছে।
আর এসব কিছু বিবেচনা করেই, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মিখাইল গরবাচেভ বলেছেনসিরিয়া ইস্যুতে মস্কো এবংওয়াশিংটনের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনার কারণে বিশ্ব এখন বিপজ্জনক পর্যায়ে চলে গেছে৮৫ বছর বয়সী গরবাচেভ রাশিয়ার বার্তাসংস্থা রিয়া নভোস্তিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি মনে করি বিশ্ব এখন বিপজ্জনক অবস্থার দিকে চলে গেছে। আমি বিশেষকোনো পরিকল্পনার কথা বলব না তবে আমি বলতে চাই– আমাদের থামা উচিত।
তিনি আরও বলেছেন, “আমেরিকা  রাশিয়ার মধ্যে সংলাপ শুরু করা দরকার। সংলাপ বন্ধ করা বড় ধরনের ভুল।
গরবাচেভের এই বক্তব্য অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত। কেননা, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এককভাবে আমেরিকা এবং তার মিত্ররাই এতদিন হামলা করে আসছিল। ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়ার পর সিরিয়াতেও তারাই যুদ্ধটা শুরু করেছিল। কিন্তু আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়াতে আমেরিকা কারো চ্যালেঞ্জের মুখে না পড়লেও সিরিয়াতে এসে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের দীর্ঘ দিনের মিত্র এখানে চুপ থাকেনি। রাশিয়া এখানে রীতিমত আমেরিকার নীতি, কৌশলসহ প্রায় সব কিছুই গোলমেলে করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, বরং সিরিয়া পরিস্থিতির লাগাম এখন বলতে গেলে রাশিয়ার হাতেই।
স্নায়ু যুদ্ধের পর আমেরিকা এমন চ্যালেঞ্জের মুখে আর পড়েনি।তাই সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার শক্ত অবস্থান আমেরিকার আভিজাত্যে মোক্ষম একটা ঘা দিয়েছে, যা সহজে তার পক্ষে হজম করা সম্ভব নয়।
ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া  আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আগেই খারাপ হয়েছে। ১৯৯১ সালে শীতল যুদ্ধ অবসানের পর এত বেশিখারাপ সম্পর্ক দুদেশের মধ্যে কখনো ছিল না। ইউক্রেন ইস্যুর পাশাপাশি যোগ হয়েছে সিরিয়া সংকট। দু জায়গায়ই আমেরিকাসক্রিয়ভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। পাশাপাশি সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়েছে আমেরিকাএর বিপরীতে সিরিয়ারনির্বাচিত বৈধ সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে মস্কো। এরমধ্যে গত সপ্তাহে আমেরিকা সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনেরযোগাযোগ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়াসিরিয়ার সরকারি সেনা অবস্থানে হামলার পরকিল্পনা প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন
অন্যদিকেসিরিয়ায় মোতায়েন নিজেদের সম্পদ রক্ষার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। এরইমধ্যে সিরিয়ায় এস৩০০ এবং এস৪০০ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে মস্কো এবং মার্কিন সম্ভাব্য হামলার বিরুদ্ধে রুশ সামরিক বাহিনী হুঁশিয়ারি উচ্চারণকরেছে। সিরিয়ার তারতুসে স্থায়ী ঘাঁটি প্রতিষ্ঠারও ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। এছাড়াসিরিয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনামোতায়েন রাখার বিষয়ে আইন পাস করেছে রুশ সংসদ। রুশ সীমান্তের কাছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো সেনা মোতায়েনেরবিরুদ্ধে রাশিয়াও সীমান্তে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। কালিনিগ্রাদে পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ইস্কান্দারব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে মস্কো। রুশমার্কিন উত্তেজনার ভেতরে রাশিয়া কয়েকদিন আগে পরমাণু সহযোগিতাচুক্তি  প্লুটোনিয়াম ধ্বংসের চুক্তি স্থগিত করেছে।  

 অবস্থায় গরবাচেভ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলছেন, “এখনই জরুরিভাবে মূল কাজে ফিরে আসা দরকার। সেগুলো হচ্ছেপরমাণু নিরস্ত্রীকরণসন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াই এবং জলবায়ু  পরিবেশের বিপর্যয় ঠেকানো।
আমরা শান্তিকামী মানুষ, আমরাও চাই গরবাচেভের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমেরিকা এবং রাশিয়া উত্তেজনার পরিবর্তে ফিরে আসবে শান্তির পথে। আর বিশ্ব বিবেক হিসেবে পরিচিতরা আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে দ্রুতই সক্রিয় হবেন বলেও প্রত্যাশা রাখি।

এবার গণসচেতনতার জন্য মোবাইল এ্যাপ

By On 9:57:00 PM
ট্র্যাক প্লাটুন এর সম্পর্কে আপনারা হয়ত এখনো কিছু না জেনে থাকতে পারেন। এটি হচ্ছে একটি মোবাইল এপ্লিকেশন। যার কাজ হচ্ছে দেশ এবং সমাজের বিভিন্য ইস্যু নিয়ে ঐক্যতা এবং গনসচেতনতা তৈরি করা।

সামাজিক সচেতনতা এবং ঐক্যতার ক্ষমতা প্রচুর। যে দেশের জনসাধারনের মদ্ধে সচেতনতা এবং ঐক্যতার পরিমাণ প্রচুর সে দেশ উন্যতির শিখরে খুব দ্রুত পৌছিয়ে যায়। যে দেশের জনগণের সচেতনতা এবং ঐক্যতার পরিমাণ কম, বস্তুত সে দেশে বিভিন্য অসামাজিক কার্যকলাপ, দুর্নীতি, অন্যায়, জুলুম, এবং বিভিন্য অপরাধের মাত্রা প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে। যা দেশেরসাধারন নাগরিকদের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।

বিভিন্য সামাজিক মাধ্যমগুলি তে বিভিন্য ভাবে সোশ্যাল ক্রাউড, সচেতনতা এবং ঐক্যতা তৈরি করা হয়। কিন্তু এইএপ্লিকেশন ভিন্য ভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে এই সোশ্যাল ক্রাউড, সচেতনতা এবং ঐক্যতা কে ভিন্য পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াযায় এবং আরও কর্মোপযোগী করে গড়ে তোলা যায় এবং ঐ সকল বিষয় সমূহকে জনসাধারণের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে আলোকপাত করা যায়

এই এপ্লিকেশন সর্ব প্রথম পাবলিশ করা হয় (V 1.0) এন্ড্রয়েড এপ স্টোরে ২৫ সে মার্চ। এখন এই এপ্লিকেশনের আপডেট ভার্সন রিলিসড করা হয়েছে (V 1.1) যা দিয়ে সবাই স্বয়ং সম্পূর্ণ ভাবে কাজ সম্পাদন করতে পারে। তাই এই এপ্লিকেশন কে নিয়ে লেখা।
আপনি এই এপ্লিকেশন ব্যাবহার করে যা যা করতে পারবেনঃ
১. দেশ এবং সমাজের যে কোন ইস্যু নিয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা এবং তার বিস্তৃতি করা। আপনারা সাপোর্ট/আনসাপোর্ট জানাতে পারবেন। এবং কেন সাপোর্ট / আনসাপোর্ট জানাচ্ছেন তা উল্লেখ করতে পারবেন। আপনি যদি কোন পোস্টে সাপোর্ট করেন তাহলে আপনি পুনরায় আনসাপোর্ট করতে পারবেন না। তেমনি কোন পোস্টে আনসাপোর্ট করলে পুনরায় সাপোর্ট করতে পারবেন না।
২. দেশ এবং সমাজের যে কোন ইস্যু নিয়ে রিপোর্ট (প্রতিবেদন) তৈরি করা। কিন্তু আপনার কাছে যদি আপনার রিপোর্ট সম্পর্কিত যাবতীয় প্রমান (যেমন ছবি, ভিডিও, রেকর্ড, ইত্যাদি) না থাকে তাহলে আপনার সেই রিপোর্টকে গ্রহন করা হবে না। এবং আপনি চাইলেই আপনার নিরাপত্তার জন্য আপনি আপনার আইডি হাইড করে রিপোর্ট পোষ্ট করতে পারবেন।
৩. বিভিন্য মানবিক সাহায্য চেয়ে আবেদন (যেমন রক্ত, কিডনি, ব্যাক্তিগত সাহায্য) করতে পারবেন। এবং কোন ব্যক্তিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারবেন।
৪. দেশ এবং সমাজের গঠনমূলক কাজের জন্য বিভিন্য ক্যাম্পেইন তৈরি করতে পারবেন। ডোনেশন কালেক্ট করতে পারবেন। ভলান্টিয়ার পেতে পারবেন।
৫. জন জরিপ তৈরি করতে পারবেন।
প্রতিরোধ প্রতিকার অপেক্ষা উত্তম। সামাজিক সচেতনতা, ঐক্যতা, অপরাধ এবং বিভিন্য অসামাজিককার্যকলাপের তাতক্ষণিক সময়োপযোগী দৃশ্য, সঠিক সময়ে সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছানো এই বিষয়গুলি দেশে ক্রমবর্ধমান অপরাধের মাত্রা হ্রাস করতে একটি কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনায় আনা হয়েছে। বিভিন্য অসামাজিক কার্যকলাপ,দুর্নীতি, অন্যায়, জুলুম, এবং বিভিন্য অপরাধের প্রতিরোধের জন্য সবার উদ্বেগ হওয়া উচিত। যতক্ষণ না এই বৃহত্তর দৃষ্টি ভঙ্গিসমাজের সদস্যদের মধ্যে বিকশিত হয়, অপরাধ দমন অনেকটাই কঠিন।
ভৌগোলিক অবস্থান, মানুষের মানসিকতা, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈচিত্রতা আমাদের এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতেপ্রভাবিত করেছে। তাই এই সমস্যা মোকাবেলা করতে আমরা আধুনিক প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠব্যবহারের উপায় বের করার চেস্টা করা হয়েছে।
আপনারা এই এপ্লিকেশন টা ব্যাবহার করতে পারেন। এই এপ্লিকেশনের কাজ, উদ্দেশ্য সম্পর্কে আপনার প্রিয়জন, ফ্যামিলি, এবং বন্ধুদের কাছে জানাতে পারেন। কারন আমি মনে করি এই এপ্লিকেশন কিছুটা হলেও মানুষের উপকারে আসবে। কিছু টা হলেও অনৈতিক কাজ, দুর্নীতি, অপরাধ কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করবে। কারন ঐক্যতা এবং সচেতনতাই হচ্ছে ক্ষমতা যা তৈরি করতে ট্র্যাক প্লাটুন বিশেষ ভাবে সাহায্য করতে পারে।
এপ্লিকেশন ডাউনলোড লিঙ্কঃ https://goo.gl/Mc8whj
ফেসবুক অফিসিয়াল পেজঃ http://www.facebook.com/trackplatoon

কুষ্টিয়া জেলার ঐতিহাসিক ও দশনীয় স্থানগুলো কি কি ?

By On 4:32:00 AM

"কুষ্টিয়া" জেলাকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়ে থাকে। লালন শাহ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মীর মোশাররফ হোসেনের স্মৃতি বিজড়িত এই জেলা। কুষ্টিয়া জেলার ঐতিহাসিক ও দশনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১) শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি। ২) ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার কমপ্লেক্স। ৩) হরিনারায়নপুরের মোগল স্থাপত্যের মসজিদ ও মীর মোশাররফ হোসেনের বাড়ি। ৪) ফুলবাড়ি গ্রামের প্রাচীণ মঠ ও মন্দির ৫) বাড়াদির টেরাকোটা মঠ। ৬) আমলা সদরপুরের জমিদারবাড়ি। ৭) হিজলাবটের নীলকুঠি। 8) কুষ্টিয়া পৌরসভা ভবন ইত্যাদি।



কুষ্টিয়া একটি প্রাচীন জনপদ। পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার একটি মহকুমা ছিল। এ কারণে দেখার মত অনেক স্থান কুষ্টিয়ায় রয়েছে।
রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ী: শিলাইদহের কুঠিবাড়ী রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত। এখানে আম্রকাননে কবিগুরু অনেক গান ও কবিতা রচনা করেছেন। সংস্কারের অভাবে বর্তমানে কূঠিবাড়ীর অবস্থা খারাপ। তবুও কবিপ্রেমীরা এখানে এসে কবি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন। কুঠিবাড়ীটি বর্তমানে জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
ফকির লালন শাহের মাজার: বাংলার বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ এই কুষ্টিয়া জেলার ছেঁউড়িয়াতে জন্ম গ্রহন ও কর্ম সম্পাদন করেছিলেন । তার মাজার বর্তমানে বাউলদের আখড়া হিসেবে পরিচালিত আছে । লালন ভক্তের কাছে তাই অঞ্চলটি পূণ্যভূমি রূপে পরিগণিত।
পাকশী রেল সেতু: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেল সেতু পাকশী রেল সেতু কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আছে। হার্ডিঞ্জ ব্রীজ সেতুর একটি স্প্যান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিমানের গোলায় ধ্বংস হয়ে যায়।
লালন শাহ সেতুঃ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু হিসেবে "লালন শাহ" সেতুটি কুস্টিয়া জেলার পদ্মা নদীর উপর ২০০১ সালের ১৩ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেতুটি উদ্ধোধন করেন । ২০০৪ সালের ১৮ মে যান চলাচল শুরু হয় । সেতুটি বাংলাদেশ ও জাপান যৌথভাবে নির্মিত হয় । সেতুটির চারপাশের মনোরম পদ্মা নদীর দৃশ্য প্রতিটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায় । অনেক দর্শনার্থী সেতুটি পরিদর্শনের জন্য সেতুর চারপাশে প্রতিদিন ভিরজমান ।



বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ জনপদ কুষ্টিয়া। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মীর মোশাররফ হোসেন, কাঙ্গাল হরিনাথ, বাউল সাধক লালন সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্ব ও রাজনীতিবিদদের পদচারনায় এ অঞ্চল ভাস্বর হয়ে আছে আজও।
....................................প্রাচীন নিদর্শনগুলো হচ্ছেঃ
শিলাইদহে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠি বাড়ি, ......ছেউড়িয়ায় বাউল সম্রাট লালন শাহ্ এর মাজার, ......ঝাউদিয়ার শাহী মসজিদ, ......স্বস্তিপুরের মসজিদ, ......হরিনারায়নপুরের মোগল স্থাপত্যের মসজিদ, ......মীর মোশাররফ হোসেনের বসতবাড়ি, ......আড়ুয়াপাড়ায় নফর শাহের মাজার, ......কুমারখালি বাজারে দরবেশ সোনা বন্ধুর মাজার, ......সাফিয়াট গ্রামের জঙ্গলী শাহের মাজার, ......খোরশেদপুর গোপীনাথ মন্দির, ......গোস্বামী দূর্গাপুরের মন্দির, ......খোকসা জানি-পুরের কালীবাড়ি, ......ফুলবাড়ি গ্রামের প্রাচিন মঠ ও মন্দির, ......বাড়াদির টেরাকোটা মঠ, ......আমলা সদরপুরের জমিদারবাড়ি, ......হিজলাবটের নীলকুঠি, ......কুষ্টিয়া পৌরসভা ভবন ইত্যাদি পুরাকীর্তি কুষ্টিয়াকে করেছে মহিমান্বিত।



কুষ্টিয়া জেলার ঐতিহাসিক ও দশনীয় স্থানগুলো : কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত শিলাইদহের কুঠিবাড়ী; রবীন্দ্র কুঠিবাড়ী (কুষ্টিয়া শহর থেকে দুরত্ব ১ কিঃমিঃ); বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার (কুষ্টিয়া শহর থেকে দুরত্ব প্রায় ৪ কিঃমিঃ); মীর মোশাররফ হোসেনের বসত ভিটা (কুষ্টিয়া শহর থেকে দুরত্ব ৬ কিঃমিঃ); ঝাউদিয়ার শাহী মসজিদ (কুষ্টিয়া শহর থেকে দুরত্ব ২২ কিঃমিঃ)।



কুষ্টিয়া জেলার ঐতিহাসিক ও দশনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১) শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি। ২) ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার কমপ্লেক্স। ৩) হরিনারায়নপুরের মোগল স্থাপত্যের মসজিদ ও মীর মোশাররফ হোসেনের বাড়ি। ৪) ফুলবাড়ি গ্রামের প্রাচীণ মঠ ও মন্দির ৫) বাড়াদির টেরাকোটা মঠ। ৬) আমলা সদরপুরের জমিদারবাড়ি। ৭) হিজলাবটের নীলকুঠি। 8) কুষ্টিয়া পৌরসভা ভবন ইত্যাদি।



কুষ্টিয়া জেলার ঐতিহাসিক ও দশনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১) শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি। ২) ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার কমপ্লেক্স। ৩) হরিনারায়নপুরের মোগল স্থাপত্যের মসজিদ ও মীর মোশাররফ হোসেনের বাড়ি। ৪) ফুলবাড়ি গ্রামের প্রাচীণ মঠ ও মন্দির ৫) বাড়াদির টেরাকোটা মঠ। ৬) আমলা সদরপুরের জমিদারবাড়ি। ৭) হিজলাবটের নীলকুঠি।

Wednesday, October 12, 2016

বাংলাদেশি পাসপোর্টের ক্ষমতা কত, তা জানেন!!!!

By On 11:46:00 PM
বিদেশ যাবার প্রয়োজন না থাকলে সাধারণত আমরা কেউ পাসপোর্ট তৈরি করি না। কিন্তু শুধু কি পাসপোর্ট হলেই বিদেশ যাওয়া যায়? মোটেই না। বরং তার সাথে প্রয়োজন হয় যে দেশে যেতে চান সে দেশের ভিসা তথা প্রবেশানুমোতি পত্র।
কিন্তু কোনো কোনো দেশ আছে যেসব দেশের ভিসা পাওয়া আর সোনার হরিণ পাওয়া প্রায় সমান কথা। সে কারণেই কিছু মানুষ আজ ভিসামুক্ত বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখছেন। সেই লক্ষ্যে তাদের শ্লোগান দিন দিন জোরালো হচ্ছে। তাছাড়া ইতোমধ্যে কোনো কোনো দেশ নিজেদের স্বার্থেই নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে হলেও ভিসা ছাড়াই তাদের দেশে অন্য দেশের নাগরিকদের প্রবেশাধিকার দিচ্ছে।
এ ক্ষেত্রে যেসব দেশ ভিসা ছাড়া তাদের দেশে অন্য দেশের নাগরিকদের প্রবেশাধিকার দিচ্ছে, সেক্ষেত্রে তারা সবার আগে নিশ্চিত হতে চাইছে তাদের নিজেদের নিরাপত্তার কথা। একই সাথে অর্থনৈতিক লাভের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে তাদের বিবেচনায়।
যাইহোক বর্তমানে যুক্তরাজ্য  যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা তাদের দেশের পাসপোর্টের কল্যাণে সব চেয়ে বেশি সংখ্যক দেশে প্রবেশাধিকার পাচ্ছে। তাই আমরা বলতে পারি বর্তমান বিশ্বে সব চেয়ে ক্ষমতাশালী পাসপোর্ট হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের পাসপোর্ট।তবে সীমিত সংখ্যক হলেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরাও পাচ্ছেন ভিসা মুক্ত প্রবেশাধিকার বেশ কিছু দেশে। সম্প্রতি সরকার রাশিয়ারসঙ্গে উভয় দেশের কূটনৈতিক অথবা অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসামুক্ত ভ্রমণ বিষয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় সে সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হলো।
তবে আপনি কি জানেন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ঠিক কতটি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবেন?হ্যাঁ, ভিসা ছাড়াই শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্টের জোরে আপনি ৫০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। আর্থিক খাতেরপরামর্শক প্রতিষ্ঠান আরটন ক্যাপিটাল প্রভাবশালী পাসপোর্টের তালিকা তৈরি করেছেযেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম। 
অরটন ক্যাপিটালের নিয়ন্ত্রিত পাসপোর্ট ইনডেস্ক ডটঅর্গ ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছেবাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ৫০টি দেশেভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন।  দেশগুলোর কয়েকটিতে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসার প্রয়োজনই হয় না।বাকি দেশগুলোর প্রায় সবগুলোর ক্ষেত্রেই সেখানে পৌঁছে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ করে নিতে হবে। আরদুএকটি দেশের ক্ষেত্রেভিন্ন ব্যবস্থা প্রযোজ্য। 
পাসপোর্ট ইনডেক্স ডটঅর্গে বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের প্রভাব নিয়ে ৮০ পর্যন্ত তালিকা করা হয়েছে,  যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান৬৭। কোনো দেশের পাসপোর্টধারী ভিসা ছাড়াই অন্য দেশের যাওয়ার সংখ্যার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে। বাংলাদেশছাড়াও মাইক্রোনেশিয়া  টোগোর পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। পাসপোর্টের প্রভাবেরতালিকায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান হলোআফগানিস্তান ৭৯ (পূর্বে ভিসা লাগবে না ৩৮ দেশে), ভারত ৫৯ (ভিসাহীন ৫৯),পাকিস্তান ৭১ (ভিসাহীন ৪৬), মালদ্বীপ ৫৩ (ভিসাহীন ৬৫), নেপাল ৭৯ (ভিসাহীন ৩৮), ভুটান ৭৯ (ভিসাহীন ৪০), শ্রীলংকা ৭০(ভিসাহীন ৪৭) 
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী পাসপোর্ট হলো যুক্তরাজ্য  যুক্তরাষ্ট্রের। তালিকায় এক নম্বরে থাকা দেশ দুটির পাসপোর্ট দিয়ে ভিসাছাড়াই ১৪৭ টি দেশে যাওয়া যায়। আর তালিকার একদম তলানিতে ৮০তম অবস্থানে আছে সাওটম  প্রিন্সিপেফিলিস্তিন,সলোমন আইল্যান্ডমিয়ানমার  দক্ষিণ সুদান। এই দেশগুলোর পাসপোর্টে মাত্র ২৮টি দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশাধিকার আছে। 
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশের অনুমতির কথা বলা হলেও পার্সপোর্ট ইনডেস্ক ডট অর্গদেশগুলোর তালিকা প্রকাশ করেনি। আর উইকিপিডিয়া  বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সূত্রে নিন্মোক্ত ৪৫টি দেশের ব্যাপারে নিশ্চিতহওয়া গেছে। 
বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসাই লাগবে না এমন দেশগুলোহলো

বাহামাস (চার সপ্তাহ পর্যন্ত), বার্বাডোস (ছয় মাস), ডোমিনিকা (ছয় মাস), ফিজি (চার মাস), গাম্বিয়া (তিন মাস),গ্রানাডা (তিন মাস), হাইতি (তিন মাস), জ্যামাইকা,
লেসোথো (তিন মাস), ১০মালাওয়ি (তিন মাস), ১১মাইক্রোনেশিয়া (এক মাস), ১২সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, 
১৩সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রানাডিনস (এক মাস), ১৪ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, ১৫ভানুয়াতু (এক মাস), ১৬মন্টসেরাত(তিন মাস), ১৭টার্ক অ্যান্ড সিসেরো আইল্যান্ড (এক মাস), ১৮ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ড (এক মাস), ১৯মাক্রোনেশিয়া(এক মাস)
২০নিউয়ি (এক মাস)
তবে সেখানে পৌঁছে ভিসা করতে হবে এমন দেশগুলো হলো

ভুটান, ২বলিভিয়া (তিন মাসের ভিসা), কেপ ভার্দে, ৪কমোরোস, ৫গিনি বিসাউ (তিন মাস), মাদাগাস্কার (তিনমাস), মালদ্বীপ (এক মাস), মাওরিতানিয়া, ৯মোজাম্বিক (এক মাস), ১০নেপাল (এক মাস), ১১নিকারাগুয়া (তিনমাস), ১২তিমরলেস্টে (এক মাস), ১৩টোগো (সাত দিন), ১৪তুভালু (এক মাস), ১৫উগান্ডা১৬বুরুন্ডি, ১৭জিবুতি (একমাস), ১৮আজারবাইজান (এক মাস), ১৯ম্যাকাউ (এক মাস)
বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলে ভিসা লাগবে না তবে বিশেষ অনুমোদন লাগবে এমন দেশগুলো হলো :  

কিউবা (টুরিস্ট কার্ড জোগাড় করতে হবেমেয়াদ তিন মাস), সামোয়া (ঢোকার অনুমতিপত্র থাকলেই হলোমেয়াদ দুইমাস), সেচেলেস (ভ্রমণের অনুমতিপত্র থাকতে হবেমেয়াদ এক মাস), সোমালিয়া (ওই দেশে থাকা কেউ স্পন্সর করলে ভিসাপৌঁছেও করা যাবেযার মেয়াদ হবে এক মাস। তবে সোমালিয়া পৌঁছানোর দুদিন আগে সেখানকার বিমানবন্দরে বিষয়টিজানিয়ে রাখতে হবে), শ্রীলংকা (ভ্রমণের জন্য ইলেকট্রনিক অনুমোদনপত্রমেয়াদ এক মাস), লাওস (সরকারি কোনোসফরের নথিপত্র থাকলে ভিসা প্রয়োজন হবে না)
তার মানে হলো বাংলাদেশের পাসপোর্ট হাতে থাকলে আপনি এখন গর্ব করতেই পারেন যে, অন্তত ৪৫ থেকে ৫০টি দেশে প্রবেশের অধিকার আপনার রয়েছে।

Monday, October 10, 2016

সবার দৃষ্টি এখন ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের দিকে

By On 10:20:00 PM

সব মানুষের উৎসুক দৃষ্টি এখন ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের দিকে। কখন কী যে হয় কিছুই বলা যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে ভারতীয় সৈন্যরা নিয়ন্ত্রণ রেখা পার হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এবং তাতে ২ জন পাকিস্তানি সৈন্যসহ অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন বলে বলা হচ্ছে। একই সাথে ভারতীয় সৈন্যরা ৭টি জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়ার দাবি করেছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানে ঢুকে হামলা চালানোর সময় এক ভারতীয় সেনা পাকিস্তানিদের হাতে আটক হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। একই ঘটনায়  ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে পাকিস্তানি ডন পত্রিকা।
তবে প্রকৃত ঘটনা আসলে কী ঘটেছে তা হয়তো হলপ করে কেউ বলতে পারবে না। তবে এ ঘটনার পর পর ভারত তার সীমান্ত সংলগ্ন ৪টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করেছে। সীমান্ত সংলগ্ন মাইলের পর মাইল এলাকার সকল লোকালয়কে জনমানব শুণ্য করার জরুরি নির্দেশ দিয়েছে। এতেই বোঝা যায় ঘটনা গুরতর।
অতীতের মতো এবারও পাকিস্তান  ভারতের মধ্যে যুদ্ধ উত্তেজনা সৃষ্টির মূলে কাজ করেছে কাশ্মীর ইস্যু গত  জুলাই কাশ্মীরেরস্বাধীনতাকামী তরুণ নেতা বুরহান ওয়ানিকে ভারতের নিরাপত্তা রক্ষীরা পাশবিক কায়দায় হত্যা করার পর কাশ্মীরে শুরু হয়ব্যাপক ভারতবিরোধী বিক্ষোভ এর ফলে ভারতীয় সেনা  নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে প্রাণ দিতে হয় শতাধিক কাশ্মীরিকে যাদেরএকটা উল্লেখযোগ্য অংশ নারী  শিশু এখনো ভারতীয় সেনা  নিরাপত্তা রক্ষীরা কাশ্মীরিদের ওপর গণহত্যা  দমননির্যাতনঅব্যাহত রেখেছে
সে পটভূমিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভারত দখলিকৃত উরি এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ব্রিগেড সদর দপ্তরে কে বা কারাআকস্মিক হামলা চালায় এই হামলায় ১৮ জন সেনাসদস্য নিহত এবং আরও অনেকেই আহত হয় পাকিস্তান অস্বীকার করলেও ভারত এ ঘটনার জন্য পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ এনে পাল্টা হামলার মাধ্যমে প্রতিশোধ নেওয়ার হুঙ্কার ছাড়ে।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে বেজে উঠতে শুরু করে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের দামামা। আশঙ্কা তৈরি হয়, ভয়ংকর যুদ্ধের শুরু হয়ে যাওয়ার, কেননা দেশ দুটি পারমাণবিক শক্তির অধিকারী। আর প্রচলিত যুদ্ধে ভারতের সাথে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো রসদ এই মুহুর্তে পাকিস্তানের নেই। তাই তারা আক্রান্ত হলে হাত বাড়াতে পারে পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডারের দিকে। সেটা হলে, আর রক্ষা নেই। নিষ্ঠুর ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়ে যাবে। যার প্রভাব পড়বে বিশ্বজুড়েই।
তবে গত কয়েদিন কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছিল উভয় দেশ। যার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেরই মনে ধারণা জন্মেছিল যে, ব্যাপক প্রস্তুতি সত্ত্বেও আর যাই হোক শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ হয়তো হবে না। কিন্তু এর মধ্যে পাকিস্তান সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় সৈন্যরা হামলা করে বসায়, উল্টে যাচ্ছে সব হিসাব।আবারো রণডঙ্কা বেজে উঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ অবস্থায় পাকিস্তান পাল্টা কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, আর তার উপর ভিত্তি করে ভারতের পদক্ষেপ কী হবে তাই নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। কেননা, উভয় দেশের লক্ষ লক্ষ সৈন্য বন্দুকের ট্রিগারে হাত দিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুণছে, যে কোন সময় সচল হয়ে উঠতে পারে তাদের আঙ্গুলগুলো। শুরু হয়ে যেতে পারে মহা প্রলয়।
‘চূড়ান্ত লড়াইয়ের পদধ্বনিসীমান্তে গ্রাম খালি করছে ভারত’ শিরোনামে একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ১৮ সেপ্টেম্বরকাশ্মীরের উরিতে সেনা চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার পরপরই পাকিস্তানকে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদি। এর মাঝে কেটে গেছে বেশ কয়েকটা দিন। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুমকি  কথার লড়াই চললেও এই সময়ে অবশ্য সীমান্তেচলেনি কোনো গুলি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছিলোপাকিস্তানকে ‘উচিত’ শিক্ষা দিতে ভারতের হুমকি ফাঁকা আওয়াজই থেকে যাবে
তবে সমালোচকদের সব মুখ বন্ধ করে দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে সত্যিই সত্যিই পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে হামলা চালিয়ে আসেভারতীয় বাহিনী।  ঘটনায় পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংস করার পাশাপাশি ৩৮ সন্ত্রাসীকেহত্যার দাবি করে ভারতীয়রা
তবে এই হামলাই শেষ নয়পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও জোরেশোরে নামছে ভারত। ইঙ্গিত মিলেছে তেমনটাই। ভারতীয়কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার সেদেশের মিডিয়া জানিয়েছেএই ‘সার্জিক্যাল অ্যাটাক’ এর মধ্য দিয়ে ভারতের জবাবদেয়া কেবল শুরু হলো মাত্র। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের অভিযান চালানো হতে পারে
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জম্মু কাশ্মীর  পাঞ্জাব সীমান্তবর্তী ভারতীয় গ্রামগুলো থেকে বেসামরিক জনগণকে সরিয়ে নেয়া শুরুকরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। জানা গেছেইতোমধ্যেই সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনারা। এছাড়া কাশ্মীরেরনিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন ভারতীয় এলাকার স্কুলগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে
ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার পাঞ্জাবের রাজ্য সরকারকে সীমান্ত থেকে দশ কিলোমিটার সীমার ভেতরে থাকা গ্রামগুলো খালিকরার প্রস্তুতি নিতে বলেছে।  ব্যাপারে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। পাশাপাশিগুজরাট থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর সর্বোচ্চ অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী
সব মিলিয়ে ভারতে এখন যুদ্ধ যুদ্ধ সাজ। পরিস্থিতি এখন আরও বড় ধরনের অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্বভাবতই ভারতীয়হামলায় মুখ বুঝে বসে থাকবে না পাকিস্তান। জবাব দিতে শুরু করবে তারাও। ফলে যে কোনো মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে পুরোদস্তুরলড়াই শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।  

Friday, October 7, 2016

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে আমাদের ভাবনা কি

By On 7:32:00 PM
ইতোমধ্যে আমাদের প্রিয় এবং মানুষ বসবাস উপযোগী এই সুন্দর পৃথিবী দুটি বিশ্বযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছে। জাপানসহ বেশ কিছু দেশে এখনো সে নৃসংশতার নির্মম স্মৃতি চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে। তারপরেও সৃষ্টি জগতের শ্রেষ্ঠ হয়েও মানুষ আরও একটি বিশ্বযুদ্ধ লাগানোর সকল আয়োজন সম্পন্ন করেছে ফেলেছে।

আফগানিস্তান, ইরাক, লিভিয়া ধ্বংসের পর যুদ্ধবাজরা ঝাঁপিয়ে পড়েছে সিরিয়ার উপর। আক্রমণ চলছে ইয়েমেনের উপরেও। কাশ্মীর, ফিলিস্তিন তো জ্বলছেই। এতকিছুর পরও যুদ্ধদানবেরা শান্তি পাচ্ছে না। তাই তারা খুঁজে বেড়াচ্ছে নতুন নতুন যুদ্ধক্ষেত্র। সম্ভবত সে কারণেই ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের উনুনকেও তাতিয়ে রাখা হচ্ছে। যাতে যেকোনো সময় একটি মাত্র দেয়ারশলাইয়ের খোঁচার মাধ্যমেই জ্বালিয়ে দেওয়া যায় আগুনের লেলিহান শিখা, পুড়িয়ে দেওয়া যায় বিশ্ব মানবতাকে।

এর মধ্যেই খবর এসেছে, রাশিয়া তার নিজ দেশেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতি স্বরূপ তার নাগরিকদের নিয়ে শুরু করেছে মহড়া। তাছাড়া, সিরিয়া নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজক পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ওপর হামলা চালাতে পারে বলে দেশটির কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। সিরিয়ায় বোমাবর্ষণকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় রাশিয়ায় আক্রমণ চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দেশটি। আর সে জন্য নিজেদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে দেশটির নাগরিকদের সতর্কও করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ব্রিটেনের গণমাধ্যম ডেইলি স্টার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মন্ত্রীরা ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের আক্রমণ থেকে বাঁচতে তাঁরা ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছেন। সেখানে মস্কোর এক কোটি ২০ লাখ মানুষকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব হবে।

এ ছাড়া মঙ্গলবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত চার দিন রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে নাগরিক প্রতিরক্ষা মহড়া। দেশটির প্রায় এক–তৃতীয়াংশ মানুষ এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। যুগান্তকারী এই কার্যক্রমে যোগ দিচ্ছেন দুই লাখের বেশি উদ্ধারকারী দলের সদস্য, সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা।

মহড়ায় অংশ নেবেন কেন্দ্রীয় সরকার, আঞ্চলিক প্রশাসক, স্থানীয় সরকার ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মকর্তা–কর্মচারীও।
রাশিয়ার জরুরি অবস্থাবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ মহড়ার আয়োজন করেছে। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এত বিশাল পরিসরে মহড়ার আয়োজন করা হলো।

গত সপ্তাহে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেলে বলা হয়, মস্কোকে আক্রমণ করার জন্য পরমাণু অস্ত্র প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাশ কার্টার পেন্টাগনকে বলেন, রাশিয়া নজিরবিহীনভাবে ভয়াবহ পরমাণু অস্ত্রশক্তির প্রয়োগ করতে পারে।

এ বক্তব্যের পরই নড়েচড়ে বসে রাশিয়া। আর জারি করে সতর্কবার্তা। নতুন অস্ত্র তৈরি, ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার এবং নতুন নতুন সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিয়েছে তারা।
বিশ্বে পরমাণু অস্ত্রের সবচেয়ে বড় মজুদ রয়েছে রাশিয়ার, যার সংখ্যা সাত হাজার ৩০০। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের অস্ত্রের সংখ্যা ছয় হাজার ৯৭০।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকা জাপানের উপর দুটি আণবিক বোমা ফেলেছিল। তাতে যে ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছে পৃথিবী তা কোনো দিনই ভুলবার নয়। অথচ, তখন ছিল আণবিক প্রযুক্তি নিয়ে কেবল পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়কাল। কিন্তু এখন তো সে প্রযুক্তি এতটাই উন্নত হয়েছে যে, চাইলে গোটা বিশ্বটাকেই কয়েকবার ধ্বংস করে দেওয়া যায়। তাই পরাশক্তিগুলো সত্যিই যদি পৃথিবী ধ্বংসলীলায় মেতে উঠে তাহলে কি কারো নিরাপদ থাকার সুযোগ আছে?

এ অবস্থায় তৃতীয় বিশ্বের নাগরিক হিসেবে আমাদের ভাবনা কী হতে পারে? আমাদের করণীয়ই বা কী আছে?

Tuesday, October 4, 2016

আইএস এর করুন পরিণতি - বাংলাদেশ হতে পারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত

By On 4:33:00 AM
বাংলাদেশ হতে পারে আইএস দমনে এক অনন্য অসাধারন দৃষ্টান্ত – এবং খুব অনায়াসে। আইএস কে অন্তত এদেশ থেকে সমুলে বিতাড়িত করা (যদি থেকে থাকে) এবং একেবারে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলার কাজে বাংলাদেশ অন্যরকম একটি উদাহরন সৃষ্টি করতে পারে। কি? খুব বেশী বলা হয়ে গেছে? তবে গালি দিয়ে পড়া বন্ধ করে দেয়ার আগে আরো একটু পড়ে দেখুন।

আইএস এর সৃষ্টি, আইএস স্পন্সর এবং আইএস এর লক্ষ্য এগুলো নিয়ে এই মুহুর্তে অনেক কনফ্লিক্ট আছে। এটা তো মানেন যে আইএস কে তৈরী করা হয়েছে কোন বিশেষ কারনে, কোন বিশেষ গোষ্ঠীর বা দেশের সুবিধা লাভের জন্য। ব্যাপারগুলো এখন ওপেন সিক্রেট। আইএস যে ধর্মকে পুজি করে অন্যদের ব্যবসার প্রক্সি মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে এটা খোদ পশ্চিমা দেশের সাধারন মানুষরাই বলছে। আইএস এখন নানা দেশে যুদ্ধ লাগানোর একটি উপকরন। মানে সরাসরি না করে আইএস এর মাধ্যমে করা হয়। প্রক্সি যাকে বলে। আইএস এর অস্ত্রেত যোগানদাতা, ফাইনান্স্যার কারা এটা নিয়ে বিশাল বড় বড় সব প্রশ্ন চিহ্ন দেখা যাচ্ছে।

মোটামুটি যেকটা দেশ আই এস বিরুদ্ধে তথাকথিত যুদ্ধ করছে আসলে মূলত তারা আইএস এর সাথে যুদ্ধ করছে না বরং আইএস কে একটা প্রক্সি বানি অন্য কোন কর্ম সম্পাদন করছে। এত এত শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো আইএস এর মত একটি সংগঠনকে নিষ্ক্রিয় করতে পারছেনা – এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। আমেরিকা চাইলে তো সব পারে? তবে বার বার ফেল মারছে কেন? আমেরিকার সাথে তো ইউরোপও আছে। তাও ফেল মারছে। এত এত প্রযুক্তি আর অস্ত্রের জোর তাঁদের! কোন না কোন ইস্যু তো আছে তাই না? ইসরায়েলীরাও তো আইএস এর বিরুদ্ধে সরাসরি কোন যুদ্ধ না করে প্রক্সি যুদ্ধ খেলছে। আইএস আইএস যুদ্ধ। মানে এদের সবারই কিছু না কিছু সবার্থ আছে আইএস এর সাথে জুড়ে। এখন আসা যাক বাংলাদেশ কিভাবে ফাকতালে উদাহরন স্থাপন করতে পারবে?

রাশিয়া কিছুদিন আগে আইএস বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে আর কদিনের মাথায় তারা যে সফলতা পেয়েছে তার সিকিভাগও আমেরিকা এত বছরে করতে পারেনি। আর ঠিক এরপর থেকেই কথা উঠা শুরু করে, রাশিয়া যদি পারে, আমেরিকা পারেনি কেন? ওয়েল, এখানে প্রশ্নটা হওয়া উচিত – আমেরিকা চায়নি কেন? অথবা চেয়েছে কিনা? আর আরব দেশগুলোর কথা বলে লাভ নেই। এগুলো সারাবছর একটার পিছে আরেকটা লেগে থাকে। যখন যেখানে যাকে বা নিজেকে বিক্রি করা যায় সেখানেই বিক্রি করে দেয়- আই মিন, এসব দেশের সরকারগুলো। সাধারন মানুষগুলো তো ভুক্তভোগী। আর চাইলে, বাংলাদেশ ইতিহাস বদলে দিলেও বদলে দিতে পারে। কেন?

আইএস কে টিকিয়ে রেখে বাংলাদেশের কোন সুবিধা নেই। এদের শেষ করতে পারলেই বাংলাদেশ বাঁচে। বাংলাদেশের মত দেশে আইএস কোনদিনও মাথা তুলে দাড়াতে পারবে না কারন এটি ১৬কোটি মানুষের দেশ আর এখানকার মানুষকে খেপালে আইএস আ বা এস কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। বাংলাদেশের আইএস এর সাথে কোন সবার্থ নাই। না মানুষের না সরকারের। আইএস এখানে কোন কিছুর প্রক্সি দিতে পারবে না। যদি সরকার ঠিক মত অভিযান চালায়, আইএস এর বাপ মা ভুলে দৌড়ে পালাবে। জীবনেও এমুখি হবে না। আইএস কে এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে ভয় দেখানোর জন্য। কিন্তু বাংলাদেশীরা সহজে কাউকে ভয় পায় না। নিরীহ টাইপের মানুষ সব এখানে, কিন্তু প্রয়োজনমত উচিত শিক্ষা দিতে পারে। আইএস এর চাইতে বড় বড় শয়তানগুলোকে শায়েস্তা করেছে আমাদের দেশের মানুষ। আর আইএস দমানোর ব্যাপারে সরকারের সদিচ্ছার কোন কমতি নেই। আর এখানেই সবচেয়ে বড় ট্রিক। অন্যান্য দেশের সরকারের কোন না কোন ইস্যু জুড়ে আছে আইএস এর সাথে – হোক সেটা ব্যবসা বা চক্রান্ত। কিন্তু এখানে – নাথিং! আর আইএস কোন বড় আর্মি না। লাঠি – সোঠা, পিস্তল আর তলোয়ার নিয়ে যুদ্ধ করে। যেকোন ব্যাটলে এদের হারানো খুব সহজ হবে যেকোন আর্মির জন্য। আর বাংলাদেশ আর্মি কম কিসে? যেহেতু মানুষ এবং সরকার উভয়েই আইএস কে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ঘৃনা করে এবং এদের শেষ করতে বদ্ধ পরিকর, এসব চিকেন স্টেন আইএস অন্তত বাংলাদেশে কোন ভাত পাবে না। এমনকি ভারতেও তারা টিকে যেতে পারে কারন ভারত বিশাল দেশ আর তাঁদের এই ব্যাপারে পলিটিক্স থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের নেই। একেবারেই নেই। সুতারাং, আইএস নিয়ে আতংকিত হবার কিছু নেই। কাপুরুষের দল নিরীহ মানুষকেই মারতে পারে। দেখেন না, নিরস্ত্র মানুষকেই খুন করে তারা কিন্তু সামনাসামনি ফাইটে ফু। ফাইট শুরু করার আগেই ‘সুইসাইডের’ নাম করে পালায়।

বাংলাদেশ বীরের দেশ। ১৬ কোটি মানুষের দেশ। তার মধ্যে ১ কোটি মানুষও যদি খেপে যায়, তাহলে আইএস না, আইএস এর চাইতে ১০ গুন বেশী শক্তিশালী হিজরাবাহিনী আসলেও লাভ নেই কারন এরা নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে। আর যারা এসব করে তারা আদপে খুবই দুর্বল। আইএস এর মনে রাখা উচিত, আমরা আমেরিকাও না, সৌদি-আরবও না। এটা বাংলাদেশ। এখানে উল্টো কাজের জবাব উল্টো করেই দেয়া হয়। সে জবাব আসুক সাধারন মানুষের কাছ থেকে অথবা সরকারের কাছ থেকে।